কোন ক্রিকেটারের বেতন কত?

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে অন্তর্ভূক্ত হয়েছেন ১৭ ক্রিকেটার। গত বছর বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ১০ ক্রিকেটারের সঙ্গে যোগ হয়েছেন আরও ৭ জন। তবে সংখ্যা বাড়লেও বেতন বাড়েনি।

শনিবার ক্রিকেট বোর্ডের সভা শেষে জানানো হয় চুক্তিতে ক্রিকেটারের সংখ্যা বাড়ানো হলেও তাদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

তাই গত বছর চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটাররা যে বেতন পেতেন এবারও তাই পাবেন। ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরিতে থাকা ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা পাবেন মাসে ৪ লাখ টাকা করে।

‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকা ইমরুল কায়েস, রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান পাবেন মাসে ৩ লাখ টাকা করে।

‘বি’ ক্যাটাগরিতে থাকা মুমিনুল হক সৌরভ, লিটন কুমার দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামরা মাসে পাবেন ২ লাখ টাকা করে।

আর রুকি তথা শিক্ষানবিশ ক্যাটাগরিতে থাকা আবু হায়দার রনি, আবু জায়েদ রাহী, সাইফউদ্দিন, নাঈম হাসান ও সৈয়দ খালেদ আহমেদরা পাবেন মাসে ১ লাখ টাকা করে।

গত বছর কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকলেও এ বছর কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

নতুনদের এই আগমনের মিছিলে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে জায়গা পেয়েছেন জাতীয় দলের ওপেনার ইমরুল কায়েস। গত বছর চুক্তিতে বাদ পড়া ইমরুল এবার আবার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ফিরেছেন।

ছবিঃ সংগৃহীত

এই বেতনই অবশ্য ক্রিকেটারদের প্রাপ্তির শেষ নয়। পাশাপাশি ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফি পেয়ে থাকেন। প্রতি টেস্টের ম্যাচ ফি সাড়ে ৩ লাখ টাকা। প্রতি ওয়ানডের ম্যাচ ফি বাবদ ২ লাখ এবং টি-টোয়েন্টির ম্যাচ ফি ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা করে পান ক্রিকেটারা। এ ছাড়া প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার জন্য ক্রিকেটাররা পান পঁয়ত্রিশ হাজার টাকার মত।

এর বাইরে ক্রিকেটারদের আয়ের মধ্যে আছে বিপিএল বা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মতো টুর্নামেন্টে বিভিন্ন দলের হয়ে খেলা থেকে পাওয়া আয়।

কেউ কেউ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লিগগুলোতেও খেলে আয় করেন। বিভিন্ন পণ্যের দূত হিসেবে কাজ করেও বড় অঙ্কের আয় আসে ক্রিকেটারদের।

মূল খবর…